আম্পানে হেলে পড়ছে কাস্টমস হাউজের গাছ, দুর্ঘটনার আশংকা

প্রকাশিত: ৫:৪৮ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২০

এসএম স্বপন (যশোর) বেনাপোল: গত ২০ই মে ভারতকে লন্ডভন্ড করে বাংলাদেশে ধেয়ে এসে ভয়াল ছোবল বসায় প্রলয়ঙ্কারী সুপার সাইক্লোন ঘূর্ণিঝড় আম্পান। এতে করে
লন্ডভন্ড হয়ে গেছে সারাদেশে বিভিন্ন শহরাঞ্চল সহ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল। যার ক্ষত এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি মানুষ।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের ক্ষয়ক্ষতির ২৮ দিন অতিবাহিত হলেও বেনাপোল কাস্টমস হাউজের ভিতরে একটি সেগুন গাছ এখনও ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় বেনাপোল ছোটআঁচড়া অভিমুখী রাস্তার কাস্টমস হাউজের প্রাচীরের দেওয়াল ভেঙে হেলে পড়ে আছে।

এমতবস্থায় স্থানীয়রা মনে করছেন, যে কোন মূহুর্তে ঘটে যেতে পারে যে কোনো মারাত্মক দুর্ঘটনা। তাই বেনাপোল কাস্টমস হাউজের এমন দায়িত্বহীনতার কথা চিন্তা করে হতভম্ব হয়ে আছেন স্থানীয়রা।

এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, আম্পান ঝড়ের দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও কাস্টমস কর্তপক্ষের এখনও টনক নড়েনি গাছটি অপসারণের ব্যবপারে ব্যবস্থায় নিতে। বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটার আগে তাই অনতিবিলম্বে গাছটি সরানোর জন্য অভিযোগ জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ শার্শা উপজেলা শাখার প্রচার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিন বেনাপোল ছোটআঁড়চা এই রোড দিয়ে হাজার হাজার মানুষ সহ যানবাহন চলাচল করে থাকে। আর আমার এই রাস্তার পাশে একটা টিভি মেরামতের দোকান আছে। মানুষজন ও যানবাহন দেখি ঝুঁকি নিয়ে এই গাছের তলা দিয়ে চলাচল করে। মাঝে মাঝে ভাবি কখন না গাছটি ভেঙে কোন জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়।

এব্যাপারে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের রাজস্ব কর্মকর্তা নইম মিরন জানান যে, গাছটি সরকারি হওয়ায় সরকারি অনুমতি ছাড়া কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাঁটার কোনো রকম এখতিয়ার নেই। যে কারণে জনগণের অভিযোগ থাকলেও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নিরুপায়। আর তাই এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। তারা এসেো গাছ দেখে গেছেন।

তিনি আরো জানান, শুধু এ গাছই নয়, আরও অনেকগুলো গাছ ঝড়ে ভেঙে কাস্টমস হাউজের ভিতরে পড়ে রয়েছে। যে গাছগুলো কাটার ব্যাপারে চিঠি চালাচালি চলছে, আসা করা যায় সপ্তাহ খানেকের মধ্যে এর একটা সমাধান হবে এবং তারা গাছগুলো অপসারণ করবেন। আর সরকারি হওয়ায় নিলামের মাধ্যমে গাছগুলো বিক্রি করা হবে বলে তিনি জানান।

 

ভুলুয়া বাংলাদেশ/এমএএইচ