নির্বাচন কমিশনের ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অব্যাহতি

ইসি’র ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অব্যাহতি

প্রকাশিত: ৯:০৮ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১৬, ২০২১

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতির ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ পাঁচজনকে দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৫ মার্চ) রাতে ইসির যুগ্ম সচিব ও পরিচালক (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অব্যাহতি পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন—

ফরিদপুরের সাবেক জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপ-সচিব নওয়াবুল ইসলাম, ফরিদপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, কুষ্টিয়ার সদর থানা নির্বাচন কর্মকর্তা ছামিউল আলম, মাগুরা সদরের থানা নির্বাচন কর্মকর্তা অমিত কুমার দাস ও অফিস সহকারী জি এম সাদিক।

কুষ্টিয়ায় এক পরিবারের সব সদস‌্যকে ভুয়া এনআইডি কার্ড সরবরাহ করার অভিযোগে গত ৪ মার্চ ওই পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে ইসি।

রোববার ফরিদপুরের সাবেক জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপ-সচিব নওয়াবুল ইসলাম, ফরিদপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, কুষ্টিয়ার সদর থানা নির্বাচন কর্মকর্তা ছামিউল আলম, মাগুরা সদরের থানা নির্বাচন কর্মকর্তা অমিত কুমার দাসকে সাময়িক অব্যাহতির প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার এবং অফিস সহকারী জি এম সাদিকের অব্যাহতির আদেশে স্বাক্ষর করেন ইসির যুগ্ম সচিব মো. কামাল উদ্দিন বিশ্বাস।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা আইনের ২০ ধারা, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের ২৪, ৩৩ ও ৩৫ ধারা, পেনাল কোডের ১০৯, ৪২০, ৪৬৮ ধারা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র আইনের ১৭ ও ১৮ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

ছামিউল আলমের বিরুদ্ধে কুমারখালী থানায় ও বাকিদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান।

এম এম এ ওয়াদুদ, বাবা মৃত আব্দুল হাকিম, সাং-১১০, এনএস রোড, কুষ্টিয়া এবং তার পরিবারের সদস্যদের নাম-তথ্যাদি ধারণ করে জালিয়াতির মাধ্যমে ছয় ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র নেওয়ার অভিযোগ তদন্ত করে ইসির এসব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

সূত্র জানায়, ওয়াদুদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নাম-তথ‌্য ব‌্যবহার করে ভুয়া এনআইডি তৈরি ওয়াদুদের জমি বিক্রি করে একটি চক্র। ওয়াদুদ বিষয়টি জানার পর ইসিতে অভিযোগ জানান।

 

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন।