ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি

ঈদে বেচাবিক্রি নিয়ে হতাশ ব্যবসায়ীরা

প্রকাশিত: ৮:৩৮ অপরাহ্ণ, মে ৩, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা চলছে লক্ষ্মীপুরের ঈদ বাজারগুলোতে। ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত শপিংমল সমূহসহ সব জায়গাতে মানুষের ভিড় থাকলেও বেচা-বিক্রি নিয়ে সন্তুষ্ট নন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে বিক্রেতারা জানিয়েছেন, রমজানের শেষের দিকে চাকরিজীবীরা বেতন-বোনাস পেলে ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে পারে। তবে আগের মতো জমজমাট ঈদ বাজারের আশা তারা করেন না। করোনায় (কোভিড-১৯) স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মার্কেটে ঈদের কেনাকাটা করতে পারেন সে জন্য পুলিশের ২৬টি দল মাঠে কাজ করছেন।

জানা গেছে, জেলার সদর, রামগঞ্জ, রামগতি, রায়পুর ও কমলনগসহ ৫টি উপজেলার বিপণিবিতানগুলো ভারতীয় পোশাকে সয়লাব। জেলা শহরের যেমন হকার্স মার্কেট, আউট লুক, মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট, অঙ্গশোভা, অ্যান্ড স্টুুডিও, পৌর সুপার মার্কেট, মেগা গ্যালারি, আর্গসী, বুটিক হাউস, রামগঞ্জ জিয়া কমপ্লেক্স, রায়পুরের গাজী কমপ্লেক্স,গাজী মার্কেট, সোহাগ, সুচয়নে ক্রেতার সমাগম থাকলেও বেচা-বিক্রি তুলনামূলকভাবে কম।

তবে দেশি পোশাকের কদর কমেনি। মোম বাটিক, একরঙা, দু’রঙা অথবা তিন রঙের নকশা করা পোশাকের চাহিদাই বেশি।অনেকে কারিগরদের দিয়ে পোশাকে পছন্দের নকশা করিয়ে নিচ্ছেন। ক্রেতারা বলছেন, এবার পোশাকের দাম অনেক বেড়েছে।

বিক্রেতা মোমতাজ উদ্দিন জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছরে বিক্রির পরিমাণ কিছুটা কমেছে। দেশিয় পোশাকের চাহিদার চেয়ে ভারতে পোশাকের চাহিদা অনেক কম।

মোকতার হোসেন, মহসিন মিয়া জানান, ‘দেশি ও ভারতীয় পণ্যের কোয়ালিটি ভালো। দাম তুলনামূলক বেশি।’

পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামান জানান, জেলা শহরসহ প্রত্যেক উপজেলার মাকের্টগুলোতে মানুষ যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিরাপদে ঈদের কেনাকাটা করতে পারেন সে জন্য পুলিশ সদা তৎপর।

 

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন।