এ কেমন পাষণ্ডের কাজ!

প্রকাশিত: ১২:৫৮ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২০

‘স্বামী মাঝে মাধেই যৌতুকের জন্য চাপ দেয়। আমার বাবা নাই। মা কষ্ট কইরে দুই দফায় টাকা দিছে। আবারও টাকা চায়। যৌতুক আইনা দিতে পারি নাই বইলা বছর খানেক আগে আমার দেড় মাসের একমাত্র সন্তানরে ২০ হাজার টাকায় বেইচ্চা দিছে স্বামী। তাতেও খান্ত হয় নাই।

এইবার বাঁশের খুঁটির লগে বাইন্দা লাঠি দিয়া পিটাইলো স্বামী ও পরিবারের লোকজন। চেয়ারম্যান না বাঁচাইলে আমারে মনে অয় মাইরাই ফালাইতো…।’

কাঁদতে কাঁদতে এভাবেই নির্যাতনের বর্ণনা দেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার খারজানা গ্রামের গৃহবধূ লাল ভানু। শরীরের ব্যথার যন্ত্রণায় এখন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছেন তিনি।

টাঙ্গাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, গৃহবধূকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় ওই নারীর মা শুকরি বেগম থানায় মামলা করেছেন। আসামিরা গাঢাকা দিয়েছে। তবে তাদেরকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার সিলিমপুর ইউনিয়নের খারজানা এলাকার মৃত বিশা মিয়ার ছেলে আশরাফের সঙ্গে ওই নারীর বিয়ের পর তাদের সংসার ভালোই চলছিল। কিন্তু সেই সুখ স্থায়ী হয়নি। কিছুদিন যেতে না যেতেই সংসারে অভাবঅনটন দেখা দেয়।

এর পর থেকেই বাবার বাড়ি থেকে যৌতুক এনে দেওয়ার কথা বলে প্রতিনিয়তই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান স্বামী আশরাফ।

ভুলুয়া বাংলাদেশ/এমএএইচ