ঝালকাঠিতে নতুন মিন্নির উত্থান!

ঝালকাঠিতে নতুন মিন্নির উত্থান!

প্রকাশিত: ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৩, ২০২০

দেশব্যাপী ‘আলোচিত প্রেমিকা’ বরগুনার মিন্নির ন্যায় ঝালকাঠিতেও এক তরুণীর আর্বিভাব ঘটেছে। একের পর এক প্রেম, বা’ধা হয়ে দাঁড়ালেই জীবনে নামিয়ে দেয় কালো মেঘের ছায়া। যার খেসারত দিতে গিয়ে এক তরুণসহ পাঁচ যুবক ঘুরপাক খাচ্ছে।

এদের মধ্যে এক তরুণের সর্বস্ব কেড়ে নেয়ার পর এখন তাঁর জীবন নিয়ে টান দিয়েছে। কিন্তু ঘটনাচ’ক্রে তা আঁচ করতে পেরে প্রা’ণে রক্ষা পাওয়া ওই তরুণের দৌঁড়ঝাপে বেড়িয়ে আসছে কিভাবে ঝালকাঠির তরুণী সুরমা পাঁচ জনের সাথে সমান্তরালে প্রেম সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল।

বিয়ে নয়, আর্থিক স্বার্থ লু’টে নেয়ার চেষ্টায় প্রেম প্রত্যাশী যুবকদের সবাই কমবেশি প্র’তারিত হয়েছেন। সেই সাথে নিজের স্বামীর সাথেও প্র’তারণা করে নিজেকে অষ্টাদশী হিসেবে উপস্থাপন করেন।

এবার তার সিরিজ প্রেমের আদ্যপান্ত ফাঁ’স হয়ে গেলে তা ধা.মাচা’পা দিতে এখন বি’দ্রোহী ওই তরুণ প্রেমিককে কিভাবে বাগে আনা যায় সেই কৌশলে ব্লাক মেইলের চেষ্টা চলছে বলে অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে।

শেষান্তে দু’জনের তিক্ততায় বরগুনার মিন্নির কারণে রিফাত হ’ত্যাকান্ডের এক বছর পূর্তির মাঝে সেই ঘটনার ন্যায় ঝালকাঠিও ঘটতে যাচ্ছিল আরেক কাহিনী। যার নায়িকা সুরমা।

বরিশালের মিডিয়াপাড়ায় কাকতালীয়ভাবে এ খবর পৌছে যাওয়ায় জানা গেলো সুগান্ধা নদীর তীরের বাসিন্দা তরুণী সুরমা কিভাবে ছদ্মনাম ব্যবহার করে নিত্য নতুন যুবকদের প্রেমের ফাঁ’দে ফে’লেছিল বা ফেলছে। সেক্ষেত্রে নিজের মামার সাথেও প্রেম সম্পর্ক গড়ে তুলতেও তার বিবেক তাড়িত করেনি।

একাধিক সূত্র জানায়, ঝালকাঠির কাঠপট্টি এলাকায় বেকারী শ্র’মিক আব্দুর রহিমের কন্যা সুরমা শিক্ষাদিক্ষায় কলেজের গন্ডি না পেরুলেও তার প্রেমের সীমানা যেমন বিস্তৃত, তেমনি এক একটি ঘটনা চলচ্চিত্রের কাহিনীকেও হার মানায়।

যতদূর জানা গেছে, ১৩ বছর বয়সেই শুরু হয় তার প্রেম প্র’তারণা। পার্শ্ববর্তী উপজে’লা নলছিটির যুবক জাকিরকে প্রেমের ফাঁ’দে ফে’লে বিয়ের পিড়িতে বসাতে বা’ধ্য করেন। অর্ধশিক্ষিত স্বামী জাকির তার বাবার ন্যায় পেশায় বেকারী শ্র’মিক। এক সময় তাকে ধর্ম চাচা হিসেবে সম্মোধন করতো।

পরবর্তীতে স্বামী হিসেবে জাকিরকে তার আর মনে ধরেনি। অথচ ঘর আলোকিত করে এক ছেলে স’ন্তান ভূমিষ্ঠ হলেও তাদের মধ্যেকার স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক গভীর হয়নি। কারণ প’রকীয়ায় আসক্ত স্ত্রী সুরমা স্বামী জাকিরের অগোচরে বরিশাল শহরের বিত্তশালী পরিবারের এক যুবকের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে।

সেখানেও নিহিত রয়েছে নাটকীয় কাহিনী। বরিশালের ওই যুবকের পিতা পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদার হওয়ায় সংগত কারণে ঝালকাঠিতে সুরমার বাড়ি সংলগ্ন তাদের একটি প্রকল্পের কাজ দেখভাল করার জন্য প্রায় যাতায়াত করায় তার নজরে পরে।

এক পর্যায় এই যুবককে কৌশলে প্রেমের ফাঁ’দে ফেলার চেষ্টায় পিছু নেয় এবং শেষান্তে সফল হয়। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বরিশাল থেকে আগত ওই যুবক তার মোটরবাইকের পিছনে সুরমাকে স্ত্রীর ন্যায় প্রায় চলতে দেখা যায়।

ঘটনাচ’ক্রে কোন একদিন গাবখান ব্রীজের ও’পর সুরমাসহ ওই যুবক একান্তে বসা অবস্থায় স্বামী জাকিরের চোখে পরে। এরপর ভেঙ্গে যায় তাদের দাম্পত্য জীবন। অবশ্য বরিশালের রূপাতলী এলাকার সেই যুবকও এই তরুণীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অবগত হওয়ায় তার সম্পর্ক বেশি দিন স্থায়ী হয়নি।

এমন অভিব্যক্তি প্রকাশ করে ওই যুবক নিজের নাম পরিচয় গো’পন রাখার শর্তে এই প্রতিবেদককে বলেন, রাতের পর রাত ফেসবুক ম্যাঞ্জেজারে আলাপচারিতায় তাদের সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর ন্যায় রূপ নিচ্ছিল।

ওই যুবকের সাথে সম্পর্কের ছেদ না ঘটতেই সুরমার চোঁখে পরে বরিশাল শহরের পরিচিত আরেক মুখ এক তরুণের দিকে। সম্পর্কে চাচতো মামা এই তরুণ বছর দুই পূর্বে নলছিটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে সুরমার নানা বাড়ি ডেমরা গ্রামে গেলে সেখানে তাদের মধ্যে পরিচয় ঘটে।

অনুষ্ঠানে সুরমার মা ভাই সম্পর্কের ওই তরুণকে দীর্ঘদিন পর দেখা পাওয়ায় তার ফোন নম্বর নেয়, বরিশালে আসলে প্রয়োজনে যোগাযোগ করার উদ্দেশে।

কিন্তু সুরমা কৌশলে মামার সেলফোন নম্বর মায়ের কাছে থেকে সংগ্রহ করে ইমুতে কোন একরাতে ‘হায়’ জানায়। গভীর রাতে ‘আনিকা তাবাসুম’ নামের ওই ইমু থেকে ‘হায়’ দেয়ায় বিস্মিত তরুণ প্রতি উত্তরে জানতে চায় তার পরিচয়।

এ সময় সুরমা নিজেকে আনিকা পরিচয় দিয়ে তার সেই সময়কার অবস্থান চট্টগ্রামে জানিয়ে ঝালকাঠির বাসিন্দা হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করে। বাবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী র‌্যা’বে চাকুরী করে, নিজে কলেজে অধ্যায়নরত, এমন উক্তির মাধ্যমে সম্পর্কে চাচতো মামা ওই তরুণের কাছে নিজের পরিচয় গো’পন রাখে।

২০১৮ সালের এই ঘটনার সূচনার এক পর্যায় ইমো থেকে মোবাইলে প্রতিদিন আলাপে উভ’য়ের মধ্যে সম্পর্ক গভীর হয়ে ওঠে। রূপ নেয় প্রেমিক-প্রেমিকা!

এ সময় বলা হয় সুরমা নামের তার এক বান্ধবী রয়েছে, যেকিনা ঝালকাঠিতে বসবাস করে। কিন্তু কোন একদিন ঘটনাচ’ক্রে প্রকাশ পায় এই আনিকায় সেই সুরমা। কিন্তু তখন মামা-ভাগ্নির অসম প্রেম হওয়ায় সেখান থেকে বেড়িয়ে আসতে চেয়েছিল ওই তরুণ।

এরপর সুরমা স্বীকার করে নেয় সম্পর্কে গড়ে তুলতেই ছদ্মবেশ ধারণ করেছিল এবং তিনি ঝালকাঠিতে বসবাস করে করে জানিয়ে মামা সম্পর্কের ওই তরুণকে প্রকৃত অর্থে ভালোবাসেন তার প্রমাণ দিতে তাদের বাসায় আমন্ত্রণ জানায়।

আত্মীয়তার সূত্র ধরে সুরমার ঝালকাঠির কাটপট্টির বাসায় ওই তরুণ নিমন্ত্রিত হয়ে একদিন সন্ধ্যায় উপস্থিত হলে ওই তরুণী পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তার সাথে রাত্রিযাপনের কৌশল নিয়ে তাকে ম্যানেজ করতে সক্ষম হয়।

জানা যায়, সুরমা ওই রাতে বাবা-মাকে খাবারের সাথে ঘুমের ও’ষুধ খাইয়ে গভীর ঘুমে রেখে দুইজনে শা’রীরিক সম্পর্কে মিলিত হয়ে প্রেমের প্রতিদান দেয়। এভাবে প্রায় দুই বছরকাল দুইজনের মধ্যে সম্পর্কের গভীরতায় শেষ সীমানায় পৌঁছে যায়। প্রায়শঃ ওই তরুণীর ঝালকাঠির বাসায় যাতায়াতে তাদের সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর ন্যায় রূপ নেয়।

বিষয়টি সুরমার বাবা-মাও আঁচ করতে পারলেও সম্ভাব্য আর্থিক সুযোগ-সুবিধা পাওয়ায় মৌন সম্মতি জানায়।
তাদের নিরব সম্মতি এবং বরিশালে বিভিন্ন কাজে ওই তরুণকে ব্যবহার করায় ওই পরিবারের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।

শুধু সুরমার বাবা-মা নয়, স্থানীয়রা এই তরুণ-তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক আঁচ করতে পারলেও মামা-ভাগ্নি পরিচয় দেয়ায় কেউ বি’ষয়টি নিয়ে মাখামাখি করতে আগ্রহী হয়নি জানিয়েছে স্থানীয় বেশ কয়েকজন। প্রকারন্তে ভাগ্নি থেকে প্রেমিকা সুরমার যাবতীয় খরচসহ তার পুত্রের পড়ালেখার ব্যয়ভার ওই তরুণ বহন করা শুরু করে। এছাড়া বিভিন্ন সময় নানান অজুহাতে আর্থিক সহায়তা নেয়।এভাবে নগদ প্রায় দুইলাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।

সুরমা ঝালকাঠির ডা: আলাউদ্দিনের ডায়াগনিস্টিক ল্যাবের ফার্মেসিতে কর্মরত থাকায় সেখানে প্রেমিক ওই তরুণ প্রায়শঃই যাতায়াতে অপরাপর কর্মচারীরা মামা হিসেবে চিনলেও নেপথ্যের প্রেম-কাহিনী কমবেশি সবাই অবগত ছিল। সেই ল্যাব কর্মচারীরাই ওই তরুণের কাছে অ’ভিযোগ স্বরূপ জানিয়ে দেয় সুরমার প্রকৃত রূপ, অন্যের সাথে প্রেমে ব্যস্ততার গো’পন খবর।

ইতিমধ্যে তরুণের মধ্যেও স’ন্দেহ জাগে তার সেলফোন প্রায় রাতেই দীর্ঘ সময় ওয়েটিং থাকায়। একপর্যায় নিশ্চিত হয় সুরমার আরও দুই যুবকের সাথে সমানতরাল সম্পর্ক রেখে চলেছে। এই নিয়ে তাদের মধ্যে বি’বাদ দেখা দিলে মানঅভিমানের নানা পর্বে দু’জনে দুই প্রান্তে অবস্থান নেয়। পরে যদিও আবার একই মোহনায় মিলিত হয়।

এরমধ্যে ওই তরুণ সুরমার সাথে অন্য ২ যুবকের সম্পর্কের বি’ষয় শতভাগ নিশ্চিত হয় তার সেলফোনের মেসেঞ্জারের বিভিন্ন ম্যাসেজ ও অডিও কল রেকর্ড দেখে ফেলায়। পরিস্থিতিতে সুরমা এবার বিয়ের জন্য পিড়াপিড়ি শুরু করে। কিন্তু প্র’তারিত হওয়ায় যুবকের মন গ’লাতে পারছিল না।

এক পর্যায় আত্মহ’ত্যার হু’মকি দিয়ে ফাঁ’সিয়ে দেয়ার ভ’য় দেখিয়ে সম্প্রতি আবারও মামা সম্পর্কের সূত্র ধরে ওই তরুণকে একত্রে রাত্রিযাপনে প্রস্তাব দিয়ে নিজের বাসায় নিয়ে যায় বাবা মায়ের অগোচরে। ওই দিন রাতেই সুরমার গো’পনীয়তা ওই তরুণ হাতেনাতে পেয়ে যায়, একাধিক সিমসহ বিভিন্ন যুবকের সাথে কিভাবে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল।

এর মধ্যে বরিশাল শহরের পল্লী বিদ্যুতের জনৈক এক ঠিকাদারের সেই পুত্র বর্তমানে সৌদি প্রবাসী ও ঝালকাঠির সোহেল মোল্লা ও মনিরের নাম সামনে চলে আসে। খোঁজ খবর নিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় ঠিকাদারের পুত্র কর্মসূত্রে সৌদি যাওয়ার পরও তার সাথে সম্পর্ক রাখতে না চাইলেও প্রায়শঃ তার ইমুতে নক করতো।

কিন্তু বরিশালের সেই তরুণ বি’ষয়টি জানতে পেরে ফেসবুক ম্যাসেজারের মাধ্যমে প্রবাসীকে যুবককে জানিয়ে দেয় সুরমার সাথে তার প্রেম সম্পর্ক রয়েছে। এরপর প্রবাসী যুবকও নিজে কিভাবে এই তরুণীর রাহুগ্রাস থেকে বেড়িয়ে এসেছে তা জানিয়ে বলেন, তার কাছেও খবর রয়েছে ঢাকার এক যুবকের সাথে সুরমার প্রেমকাহিনী।

সেই প্রেম সম্পর্কে সুরমার মা অবগত ছিল বলে ওই প্রবাসী যুবকের দাবি। এদিকে ক্ষু’ব্ধ তরুণ বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারে তার সাথে সম্পর্ক চলমান থাকার মাঝে ঝালকাঠি শহরের সোহেল মোল্লা ও মনিরের সাথেও সম্পর্ক রেখে চলছিল।

এদের মধ্যে মনির সাথে সম্পর্ক গভীর বলে নিশ্চিত হওয়ায় সেলফোনে মনির এ কথা স্বীকার করে গভীর রাতে দীর্ঘ সময় কথা বলার বি’ষয়সহ বিভিন্ন তুলে ধরে। এছাড়া সুরমার ফোন রেকর্ডিং এবং ইমুতে তাদের আলাপচারিতায় উভ’য়ের মধ্যে শা’রীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার বেশ কিছু প্রমাণ পাওয়া যায়।

কে এই মনির? তা অনুসন্ধনে গিয়ে জানা গেলো একটি ও’ষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধি হিসেবে সুরমার কর্মস্থল সেই ল্যাবে যাতায়াতের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন হয়। এরপর স্বামী-স্ত্রীর ন্যায় সময়ভেদে বিভিন্নস্থানে গিয়ে তারা একাত্রিত্ব হয়।

এসব বিষয় নিয়ে বরিশালের এই আত্মীয় সম্পর্কের তরুণ সুরমার মা-বাবার কাছে তাদের সম্পর্কের কথা উপস্থাপন করে তার সাথে প্র’তারণাসহ একাধিক যুবকের সাথে গো’পনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার বিচার চায়।

এ সময় তার পরিবার স্বীকার করে নেয় তাদের মেয়ের চরিত্রহীনতার কথা। একই সাথে সুরমার কর্মস্থলসহ পার্শ্ববর্তীরাও ওই তরুণের কানে সুরমা সম্পর্কিত নানা কাহিনী তুলে দেয়।

ওই তরুণের ভাষ্য, সম্ভবত সম্প্রতি এক রাতে তাকে হ’ত্যার পরিকল্পনা নিয়ে ছিল। সেই রাতে একাত্রিত থাকার পাশাপাশি তাদের মধ্যে চলমান বি’বাদ নিরসনের প্রস্তাবে তরুণকে ঝালকাঠির বাসায় যেতে আকৃষ্ট করে। কিন্তু সার্বিক আলামতে লক্ষণ ভালো নয়, আঁচ করতে পেরে ওই তরুণ একত্রে থাকলেও রাতে না ঘুমিয়ে ভোরেই বরিশালে ফিরে আসে।

এরপর নানান মাধ্যমে জানতে পারে সুরমা বিলাসী জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ায় বরগুনার মিন্নির অনুকরণে একাধিক যুবকের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। সর্বশেষ তার অজানা কাহিনী মামা সম্পর্কের তরুণ প্রেমিক উদঘাটন করায় তার পথের কা’টা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে নানাভাবে হু’মকি-ধামকি দিচ্ছে, মা’মলার জড়িয়ে ফাঁ’সিয়ে দেয়ার কথাও বলা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে তার বাবার সাথে এই প্রতিবেদকের কথা হলে তিনি মেয়ের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক পর্যায় সুরমার প্রেম প্র’তারণার বেশ কিছু উদাহরণ তুলে ধরায় চুপসে যান। নিজ থেকেই ঘটনার সমাপ্তি টানতে এই প্রতিবেদককে মধ্যস্তকারী হিসেবে মিমাংসা করে দেয়ার প্রস্তাব দেন।

কিভাবে হবে মিমাংসা এমন প্রশ্নের উত্তরে পিতা রহিম জানান, সম্পর্কে মামার সাথে প্রেমের সম্পর্কের বি’ষয়টি চে’পে যাওয়াই ভালো। জানা গেছে, ওই তরুণের পিতাকে ম্যানেজ করে তাদের পক্ষে নেয়ায় ঝালকাঠির বাসায় বেশ কিছু দিন ধরে রেখেছে।

এদিকে সুরমার কর্মস্থল অর্থাৎ ল্যাব মালিক ডা: আলাউদ্দিন এর কাছে এই প্রতিবেদক সুরমা সম্পর্কে তার কাছে জানতে চাইলে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে এক প্রকার হু’মকি স্বরূপ বলেন, সাংবাদিকের তিনি ধারধারেন না।

ঝালকাঠির এসপি ও জে’লা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরের সাথে তার সম্পর্ক থাকার শক্তির সমর্থের কথা জানিয়ে পরোক্ষভাবে এ বি’ষয় নিরব থাকার উপদেশ দেন। বরিশাল বাণী

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ