টেস্ট মর্যাদা পেলো বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল

টেস্ট মর্যাদা পেলো এবার বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল

প্রকাশিত: ৮:১৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২, ২০২১

মেঘ না চাইতেই বৃষ্টির মতো ঘটনা। বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে মেয়েদের তিন দিনের ম্যাচ পর্যন্ত প্রবর্তিত হয়নি বাংলাদেশে। টেস্ট মর্যাদার জন্যও আইসিসির কাছে আবেদন করেনি বিসিবি।

২০১১ সালের নভেম্বরে ওয়ানডে এবং টি-২০ মর্যাদা পেয়ে এই দুই ফরমেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছে বাংলাদেশ। মেয়েদের ঘরোয়া ক্রিকেটও আবর্তিত হচ্ছে ৫০ ওভার এবং ২০ ওভারের ম্যাচ।

গত ১ এপ্রিল আইসিসির ভার্চুয়াল বোর্ড সভায় আইসিসি পূর্ণ ১২টি সদস্য সদস্য দেশের সবাইকে টেস্ট মর্যাদায় উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছে।১৯৩৪ সাল থেকে প্রবর্তিত মেয়েদের টেস্ট-এ এতোদিন ছিল ১০টি দেশ-অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড,ভারত,দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলংকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ,আয়ারল্যান্ড,পাকিস্তান এবং নেদারল্যান্ড।

আইসিসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ সদস্যদের মধ্যে নারীদের টেস্ট মর্যাদার বাইরে থাকা বাংলাদেশ,জিম্বাবুয়ে এবং আফগানিস্তানও পেলো এবার মেয়েদের টেস্ট মর্যাদা। ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জয় এবং ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তান,স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে টেস্ট মর্যাদার দাবি জোরালো করে তার জন্য কম লবিং করতে হয়নি।

প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেট প্রবর্তন করে,আইসিসির সকল শর্ত পূরনের পর ২০০০ সালের ২৬ জুন  টেস্ট মর্যাদা পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে মেয়েদের টেস্ট মর্যাদার ক্ষেত্রে লবিং’র দরকার পড়েনি। টেস্ট মর্যাদার আবেদন না জানিয়েও টেস্ট মর্যাদা পেলো এই তিনটি দেশের নারী ক্রিকেট দল।

এক বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে-‘বোর্ড সভায় আইসিসির পূর্ণাঙ্গ সদস্যদের নারী দলকে ওয়ানডে এবং টেস্ট স্ট্যাটাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

শুধু তাই নয় ২০২২ সালে কমনওয়েলথ গেমসের টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলোকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের স্বীকৃতিও দিয়েছে আইসিসি। এদিকে এ বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশে  অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপ।

করোনা ভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারীতে পরবর্তীতে আসরটি পিছিয়ে ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে বলে আইসিসি থেকে বলা হয়েছিল। তবে গত ১ এপ্রিলের সভায় এই আসরটি আর এক দফা পিছিয়ে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি।

 

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন।