দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের সহকারী পরিচালকসহ ৩ জন

দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের সহকারী পরিচালকসহ ৩ জন

প্রকাশিত: ২:৫৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০২০

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে এন৯৫ মাস্ক, পিপিইসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী কেনায় দুর্নীতির অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের সহকারী পরিচালক এরই অংশ হিসেবে ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সংস্থাটি।

রোববার (১৯ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থার পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তারা হলেন, সিএমএসডি’র সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. শাহজাহান, সাবেক ডেস্ক অফিসার-৮ ও ডা. সাব্বির আহম্মেদ,স্টোর অফিসার কবির আহম্মেদ। ১২ জুলাই তাদের তলব করে নোটিশ পাঠানো হয়।

কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের সাবেক-বর্তমান মোট ৬ কর্মকর্তাকে তলব করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জনকে আজ তলবে হাজির হয়েছেন। বাকি ৩ জনকে সোমবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
বাকি ৩ জন হলেন- সাবেক ডেস্ক অফিসার-৮ ও অতিরিক্ত দায়িত্ব (স্টোর) ডা. সাব্বির আহম্মেদ, স্টোর অফিসার কবির আহম্মেদ এবং সিনিয়র স্টোর কিপার মো. ইউসুফ ফকির।

এরইমধ্যে মাস্ক-পিপিই ক্রয় দুর্নীতির অনুসন্ধানে মেসার্স জেএমআই হাসপাতাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমাটেডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাক, তমা কনস্ট্রাকশনের সমন্বয়কারী (মেডিক্যাল টিম) মো. মতিউর রহমান ও মেডিটেক ইমেজিং লিমিটেডের পরিচালক মো. হুমায়ুন কবিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে করোনার (কোভিড-১৯) চিকিৎসায় নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জামাদি ক্রয়সহ বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠে। এছাড়া, অভিযোগ রয়েছে, সিএমএসডির ৯০০ কোটি টাকার কেনাকাটায় দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে।

গত ১০ জুন দুদক এ বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়।

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন।