নিবেদিত কর্মীদের অবমূল্যায়ণ: বিতর্কিতদের নিয়ে জেলা ছাত্রলীগ কমিটি

নিবেদিত কর্মীদের অবমূল্যায়ণ: বিতর্কিতদের নিয়ে জেলা ছাত্রলীগ কমিটি

প্রকাশিত: ৬:১৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১, ২০২০

নোয়াখালী প্রতিনিধি: দীর্ঘ ২ বছর পর নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগ এর কমিটি পূর্ণাঙ্গ হলেও বহুল প্রত্যাশিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে আসতে পারে নাই দলের একাধিক নির্যাতিত ও নিবেদিত ছাত্রলীগ কর্মীরা।

জানা গেছে, কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়ায় পদত্যাগ করেছেন অনেকেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন অনিয়মের কথা তুলে ধরে স্ব স্ব পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি খালেদ মোশারফ সঞ্জয় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে পদত্যাগ করছেন।

এ ব্যাপারে নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং সাবেক নোয়াখালী কলেজ ছাত্রলীগের আহবায়ক তৌহিদ উদ্দিন পিয়াস জানান- বিবাহিত, চাকরিজীবী, অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে জেলা ছাত্রলীগ গঠিত হয়েছে। আমি একজন সচেতন ছাত্রনেতা হিসেবে এটা মেনে নিতে পারি নি তাই আমি পদত্যাগ করেছি।

নাম না প্রকাশ শর্তে জেলা ছাত্রলীগের জন নেতা জানান, ইমাম হসেন শাওন – শিবিরের শীর্ষ সন্ত্রাসী, বিবাহিত, তার বাবা সোনাইমুড়ী উপজেলা শিবিরের রোকন, মোহাম্মদ মহাসিন উজ্জামান তুহিন মেয়াদ উত্তীর্ণ, তার বাবা বি এন পির এক খাঁটি সমার্থক, হাসান আর রশিদ মেয়াদোত্তীর্ণ, আব্দুল ওয়াহাব শুভ ছাত্রত্ব নেই, ব্যবসায়ী, কফিল উদ্দিন বয়স নাই, বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার আসামী,ছাত্র নয়।

এ ছাড়া ইমাম হোসেন শাওন ছাত্রশিবির এর ক্যাডার ছিল, সুজন আইচ এর ছাত্রত্ব নেই, কাজী ছোটন বিবাহিত ও বিদেশ ফেরত, রাসেল হোসেন রাজ বর্তমানে সে ওমানে কর্মরত রয়েছেন এরা সকলেই জেলা ছাত্রলীগ এর সহ-সভাপতি।

এছাড়াও ছাত্রদলের ক্যাডার জিসান বাহিনীর কিশোর গ্যাঁং এর সদস্য আশরাফুল ইসলাম লিমনকে জেলা ছাত্রলীগ এর উপ-তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সবার জন্য সুপারিশ করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের বিতর্কিত এক নেতা, যিনি কমিটি থেকে ঘোষণা দিয়ে পদত্যাগ করে এখনও ছাত্রলীগে অদৃশ্য এক প্রভাব বিস্তার করছেন।

এদিকে এবিষয়ে জানার জন্য নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আসাদুজ্জামান আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত আদনান এর সাথে মুঠোফোনে কল দিয়ে এবং বার্তা পাঠিয়েও তাদের কে পাওয়া যায় নি।

সাবেক জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ও নোয়াখালী জেলা যুবলীগের আহবায়ক বাবু ইমন ভট্টের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ গঠনতন্ত্রের বাহিরে গিয়ে এমন কমিটি করেছে, গঠনতন্ত্র স্পষ্ট বলা আছে ১২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি হওয়ার কথা কিন্তু সেখানে ২৮৭জন বিশিষ্ট এই কমিটি করা হয়েছে।

নোয়াখালীর ঢাকাস্থ কিছু ছাত্রনেতাদের কারনে এই কমিটি বিতর্কিত বলে আমি মনে করছি,দলের দুর্দিনে দলের জন্য কাজ করেছে এরকম অনেক ছাত্রলীগ কর্মী এই কমিটিতে আসে নায় বিধায় আমরা আশাহত।

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন।