কিশোরীকে ধর্ষণ-গর্ভপাত করে শিশু হত্যা

নোয়াখালীতে কিশোরীকে ধর্ষণ-গর্ভপাত করে শিশু হত্যা, আটক-৪

প্রকাশিত: ১:৫৯ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১০, ২০২০

বুরহান উদ্দিন নোয়াখালী: নোয়াখালী বেগমগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে এক দিনমজুরের কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা করার পর গর্ভপাত করেন এবং বাচ্চা হত্যার অভিযোগে থানায় মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দিনগত রাতে এমন ঘটনায় ওই ভুক্তভোগী কিশোরীরর মা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে তাৎক্ষণিক পুলিশ অভিযুক্ত এক ইউপি সদস্যসহ এক নারী চিকিৎসকসহ মোট ৪ জনকে আটক করেন।

আটককৃতরা হলেন, হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তার, ইউপি সদস্য মুকবুল আহম্মদ, কমল সিংহ’সহ ফারুক হোসেন। তবে অভিযুক্ত ধর্ষক কাউসার আহমদ ওরফে হামিদ (২৮) পলাতক রয়েছে। সে পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক এবং একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের রহম সর্দার বাড়ির আলী আকবর ব্যাপারী’র ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের পল্লী চিকিৎসক হামিদ ওই কিশোরী মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করলে ওই কিশোরী ২৯ সপ্তাহের অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে।

পরে গত শনিবার (৪ জুলাই) কাউসার ওই কিশোরীকে তার সহযোগী কমল সিংহের মাধ্যমে চৌমুহনীর কলেজ রোডের নারী হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তারের বাসায় নিয়ে ওষুধের মাধ্যমে গর্ভের শিশুটিকে মেরে ফেলে এবং গর্ভপাত ঘটায়।

এ ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা চালান ফারুকসহ কয়েকজন। কিন্তু মীমাংসা না করে বিষয়টি নিয়ে ফারুকসহ বাকীরা তালবাহানা করলে কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল বাহার চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ ৪ জনকে আটক করে।

এ ছাড়া অভিযুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন।