ফকিরহাটে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না ইঞ্জিন ও ব্যাটারী চালিত যানবাহন

প্রকাশিত: ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৩, ২০২০

সাগর মল্লিক, ফকিরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাট ফকিরহাটে ইঞ্জিন ও ব্যাটারী চালিত যানবাহন মানছেন না সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি। সরকার ও প্রশাসনের দেয়া বিধিনিষেদ উপেক্ষা করে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নিজেদের ইচ্ছা মতোই যাত্রী পরিবহন করছে চালকেরা।

তবে ভিন্ন চিত্র দেখা গিয়েছে গণপরিবহনে। যেখানে ইঞ্জিন ও ব্যাটারী চালিত যানবাহনে বেধে দেওয়া যাত্রীর তুলনায় বেশি যাত্রী নিচ্ছেন স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে সেখানে গণপরিবহন স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতি ২ সিটে ১ জন করে এবং সরকার নির্ধারিত ৬০% ভাড়ায় নিচ্ছে।

এদিকে উপজেলা প্রশাসনের সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড হলেও কোনো প্রতিকার হচ্ছে না। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়তই অভিযান চলছে।

দেখা গেছে, অভিযান চলাকালীন সময়ে সবাই কেমন যেন ধোয়া তুলশী পাতা হয়ে একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে চলাচল করলেও অভিযান শেষের চিত্র দেখলে মাথায় হাত উঠে যাওয়ার মত কর্মকাণ্ডই ঘটে।

নির্দেশনায় ব্যাটারী চালিত যানবাহনে ৩ জন যাত্রী, ইঞ্জিন চালিত যানবাহনে ৫ জন এবং গণপরিবহনে আসন হিসাবে ২০ জন ও ২৫ জনের নেয়ার কথা ও ভাড়া ৬০% বৃদ্ধি।
গণপরিবহন নিয়মনিতী মানলেও ইঞ্জিন ও ব্যাটারী চালিত যানবাহন মানছেনা।

সরেজমিন অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা গেছে, স্থানীয় পর্যায়ের মাহিন্দ্রা থ্রী হুইলার মালিক সমিতির চাপে স্থানীয় চালকেরা নিয়ম ভংগ করছেনা।কিন্তু বহিরাগত চালকদের কারণেই এই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

জানা গেছে, গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্স থেকে সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রতিনিয়ত যাত্রী নিয়ে আসছে ইঞ্জিন ও ব্যাটারী চালিত যানবাহন। রূপসা ও মোংলা থেকেও এমনভাবেই যাত্রী আনছে অনায়াসে।

উপজেলার বৃহত্তর বাসস্ট্যান্ড হলো কাটাখালী। এখানে পুলিশের দিক থেকে যথেষ্ট সচেতনতামূলক কার্যক্রম চাললেও ফলাফল জিরো একেবারে।

সচেতন মহল দাবি করছেন, এভাবেই যদি সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করে যানবাহন চলাচল করে তবে এর পরিণতি খারাপ ছাড়া ভাল কিছু আশা করা যায় না। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও কড়া নজরদারী না করলে করোনাভাইরাস স্থানীয় পর্যায়ে সংক্রমিত হবে অধিক হারে।

বাস চালক আব্দুল কাদের বলেন, সরকারি নিয়মকানুন অনুযায়ী আমরা চলাচল করছি। যাত্রী ২০ জন ও ভাড়া ৬০% নিচ্ছি। তাছাড়া যাত্রী মাস্ক পড়া কিনা সেটা দেখেই বাসে তুলছি।

অন্যদিকে ব্যাটারি চালিত এক চালক জানিয়েছেন, জানা ছিল না আমাদের। এভাবে এড়িয়ে যাচ্ছে ইঞ্জিন ও ব্যাটারী চালকেরা। আর হুমকির মুখে ফেলছে সাধারণ মানুষদের।সচেতন মহলের দাবি, যদি দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা না হয় তবে ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে সকলের।

 

ভুলুয়া বাংলাদেশ/এমএএইচ