লক্ষ্মীপুরে মাএ আট মাসে কোরআন হেফজ

মাএ আট মাসে কোরআন হেফজ

প্রকাশিত: ১:৪৫ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৯, ২০২১

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মাএ ৮ মাসে পবিএ আল কোরআন হেফজ করেছে ৯ বছর বয়সের মেয়ে উম্মেহানি সাদিয়া। আর অশ্রুঝরা চোখে সেই পবিএ কোরআনের শেষ সবক শুনলেন মেয়ের বাবা। এ যেনো আবেগমুখর এক জান্নাতি পরিবেশ ছিল তখন।

ছোট্ট শিশু উম্মেহানি সাদিয়া। বয়স সবেমাত্র ৯’র গণ্ডিতে পড়েছে। তবে, এ বয়সেই সে পুরো পবিত্র কোরআন মুখস্ত করেছে। সবার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি সে এমন বিরল অর্জনের স্বাক্ষর রেখেছে।

উম্মেহানি সাদিয়া লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলা ৩নং দেনায়েতপুরের বাসিন্দা মাওলানা ইব্রাহিম খলিল সাহেব এর একমাত্র মেয়ে। আনন্দ-স্ফুটিত উম্মেহানি সাদিয়ার দুচোখে এখন বইছে অর্জনের বাঁধভাঙা হাসি। পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়স্বজন ছাড়াও এলাকার লোকজন তাকে দেখতে আসছে দলবেঁধে।

এর পাশাপাশি সবার অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করে অনেকে তাকে স্নেহও করছেন।বুধবার (৩ মার্চ) বিভিন্ন মাদরাসার আলেম-ওলামাদেরকে নিয়ে তার বাবা পবিএ আল কোরআনের শেষ সবক শুনেন।

বাবা মাওলানা ইব্রাহিম খলিল নূরেমদিনা হাফিজিয়া মাদরাসার পরিচালক। উম্মেহানি সাদিয়া তাঁর বাবার হাত ধরেই প্রথম মাদরাসার গন্ডিতে পা রাখে। সেই সুবাধে মাত্র আট মাসেই পুরো পবিএ কোরআন মুখস্ত করে নেয় উম্মেহানি সাদিয়া।

               উম্মেহানি সাদিয়া


জানা গেছে, নূরেমদিনা হাফিজিয়া মাদরাসা-ই হেফজ শুরু করে মেয়ে। এমন আগ্রহ দেখে এবং মেয়ের যেন কোরআন থেকে বঞ্চিত না হয় সেই কারণে তিনি তার মেয়ের নামে ৪ জন দক্ষ মহিলা হাফেজা দ্বারা ৫০ জন ছাত্রী নিয়ে তিনি সফলভাবে একটি মহিলা মাদরাসা করেন। আর সেখানেই উম্মেহানি সাদিয়ার হেফজ শেষ করে।

বাবা মাওলানা ইব্রাহিম খলিল বলেন, উম্মেহানি সাদিয়ার হাফেজা হওয়ার পেছনে তাঁর মায়ের অবদান রয়েছে। তার মা উম্মেহানি সাদিয়াকে কোলে নিয়ে নিয়মিত কোরআন পড়তেন। ওই সময় থেকেই সাদিয়ার আগ্রহ জন্মেছিল।

 

[ বি:দ্র: সম্পূর্ণ লিখাটি ফেসবুক থেকে নেয়া ]

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন।