রায়পুরে জেয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে পাঁচ শতাধিক বাড়ি-ঘর

রায়পুরে জেয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে পাঁচ শতাধিক বাড়ি-ঘর

প্রকাশিত: ১১:৪৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৫, ২০২০

রায়পুর সংবাদদাতা: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পশ্চিমাঞ্চল উত্তর চরবংশী ও উত্তর চরআবাবিলের প্রায় ১০টি গ্রামে জোয়ার বেড়ে তলিয়ে গেছে মাছের ঘের এবং পানি ডুকে পরেছে পাঁচ শতাধিক ঘর-বাড়িতে। এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছে ক্ষতিগ্রস্থরা। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার এখনও পানিবন্দি।

স্থানীয়রা জানান, মেঘনা নদীর নিকটবর্তী হাজিমারা, আলতাফ মাস্টার মাছ ঘাট, হায়দরগঞ্জ,পুরান বেড়ি,চর ইন্দুরিয়া, হাজিমারা ও চরজালিয়ার এলাকার নিচু স্থানে হঠাৎ জোয়ারের পানি ডুকে পরে।

এ ব্যাপারে স্কুল শিক্ষক হাসিম মাঝি, ব্যবসায়ী মোকলেস মোল্লা, আরও কয়েকজন জানান, বেড়িবাঁধের বাইরে প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার ২৫ বছর ধরে বসবাস করে আসছে। হঠাৎ মেঘনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জোয়ারের পানিতে এলাকা প্লাবিত হয়।

এতে একটি প্রাথমিক স্কুল ডুবে যায়। তাছাড়া কয়েকজনের বাড়ির সামনে দিয়ে ঘরবাড়ি নদীতে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে, শতাধিক হাঁস মুরগি। অনেকের মাছের ঘেরও তলিয়ে গেছে।

মৎস্য খামারী মে. মুফতি আলহ্বাজ তাহের ইজ্জুদ্দীন জাবেরী জানান, মেঘনার অতিরিক্ত জোয়ারে ছোট-বড় অর্ধ শতাধিক মাছের ঘের তলিয়ে। বিভিন্ন ধরনের মাছ ভেসে গেছে। এতে তার ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

রায়পুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) এসও ইব্রাহিম বলেন, স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে মেঘনার পানি ৫ ফুট পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। দুই দিনের মধ্যে কমে যাবে।

এদিকে রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরীন চৌধুরী, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মামুনুর রশীদ, চরআবাবিল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শহীদ উল্লাহ বিএসসি ও উত্তর-চরবংশী ইউপি চেয়ারম্যান মো. হোসেন এলাকাবাসীর খোঁজখবর নেন।

উত্তর চরআবাবিল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহীদ উল্লাহ বিএসসি বলেন, মেঘনা নদীর জোয়ারে সবার ঘর-বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। কারও ঘরে চুলা জ্বালানোর মতো অবস্থা নেই।

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন।