প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

রিজার্ভ থেকে উন্নয়ন প্রকল্পের ঋণ নিতে পারি আমরা

প্রকাশিত: ২:৪৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ৭, ২০২০

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে উন্নয়ন প্রকল্পে ঋণ বরাদ্দ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক জনগণের পক্ষে এই টাকা সংরক্ষণ করে। ওখান থেকে আমরা প্রকল্পের জন্য ঋণ নিতে পারি।

তিনি বলেন, আমরা বিদেশিদের কাছ থেকে ডলারে ঋণ নিই। আমাদের রিজার্ভ এখন ৩৬ বিলিয়ন ডলার। এখান থেকে আমরা ঋণ নিতে পারি কি না? বিদেশ থেকে আমরা যে সুদে ঋণ আনি তা একটু কম হলেও দেশের টাকা ব্যবহার করলে লাভটা দেশেই থাকবে।

করোনা পরিস্থিতিতে রিজার্ভ থেকে বিভিন্ন প্রকল্পে ঋণ নেওয়া যায় কিনা এবং তার প্রভাব কী হতে পারে তা অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক যাচাই করে দেখতে পারে।

সোমবার অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এসব কথা বলেনপ্রধানমন্ত্রী। সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত হন তিনি।

সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান; কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক; তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি; শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিমসহ অন্য মন্ত্রী ও সচিবরাসংযুক্ত ছিলেন।

বৈঠক শেষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে মন্ত্রীর কার্যালয় থেকে অনলাইন ব্রিফিংয়ে একনেক বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান।

তিনি বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার এখন রেকর্ড ৩৬ বিলিয়ন ডলার মজুদ আছে। এই মজুদ দিয়ে ৯ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। সাধারণত অন্তত ৩ মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ রিজার্ভ রাখাকে স্বস্তিদায়ক মনে করা হয়।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেছেন, বিদেশি ঋণ পেতে অনেক শর্ত থাকে। প্রক্রিয়াগত জটিলতায় সময় নষ্ট হয়। এতে প্রকল্পের ব্যয় বাড়ে। বিদেশি মুদ্রার মজুদ থেকে ঋণ নেওয়া মানে নিজের টাকা এক হাত থেকে অন্য হাতে নেওয়া। তবে এই ঋণ ফেরত দেওয়ার নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ

নিউজটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করুন।