রেকর্ড গড়লো 'রায়পুর মৎস্য হ্যাচারী'

রেকর্ড গড়লো ‘রায়পুর মৎস্য হ্যাচারী’

প্রকাশিত: ৮:৩১ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৮, ২০২০
এশিয়ার বৃহত্তম মৎস্য হ্যাচারীতে উৎপাদনের নয়া রেকর্ড।

বিশেষ প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর পৌর শহরে দক্ষিণ এশিয়া মহাদেশের এক সময়ের এই বৃহত্তম ফিস হ্যাচারী বর্তমানে মৎস্য অধিদপ্তরের সর্ববৃহৎ ফিস হ্যাচারী মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উৎপাদনে নয়া রেকর্ড গড়েছে।

জানা গেছে, ২০২০ সালের প্রথম সাত মাসে রেণু পোনা ও দেশিয় প্রজাতির পোনা বিক্রি বাবদ ৬১ লক্ষ ২৭ হাজার ৫’শ ৯৯ টাকা রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। জনবল সংকটের মাঝেও এমন সাফল্য অর্জন সর্বমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে এ সরকারি প্রতিষ্ঠানটির।

হ্যাচারী সূত্রমতে, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে উৎপাদন শুরু এবং জুলাই পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার কেজি রেণু, ২২ লক্ষ পোনা এবং এক হাজার কেজি মিশ্র মাছ উৎপাদন হয়েছে এশিয়ার বৃহত্তম মৎস্য হ্যাচারীতে।

মৎস্য হ্যাচারীর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিধ মো. ওয়াহিদুর রহমান মজুমদার মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে জানান, হ্যাচারীতে নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কৃষিজ পণ্যের নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদন অব্যাহত রাখার নিমিত্তে হ্যাচারীর সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মাস্টাররোলের শ্রমিকদের নিরলস পরিশ্রমের ফলে হ্যাচারীতে উৎপাদনের এই নতুন রেকর্ড অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, পর্যাপ্ত লজিস্টিক সাপোর্ট যেমন প্রয়োজনীয় জনবল বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ৮ জনের মধ্যে কমপক্ষে ২ জন, সুপারভাইজার ৬ জনের মধ্যে ৪ জন, ফিসারম্যান ৮ জন, পাম্প অপারেটর ২ জন, পদায়ন, হাজামজা পুকুর সংস্কার (প্রায় ২৬ টি)।

এ ছাড়া রেণু ও ব্রুড মাছ পরিবহন করার জন্য একটি পিকআপ এবং মনোসেক্স তেলাপিয়া/ক্যাট ফিস হ্যাচারী ইউনিট স্থাপন করা হলে এই হ্যাচারী থেকে বৎসরে প্রায় দুই কোটি টাকা রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে জানান এ কর্মকর্তা।

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন।