লক্ষ্মীপুরে ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি, আহত ৫

প্রকাশিত: ৪:৪৭ অপরাহ্ণ, মে ৩০, ২০২০

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পিয়ারাপুর, আবিরনগর ও কুমিদপুর এলাকায় গত শুক্রবার (২৯ মে) বিকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বাতাসে চার শতাধিক গাছপালা এবং অর্ধশত বাড়ির ছাউনি উড়ে লণ্ডভণ্ড রয়েছে ঘরবাড়ি।

এই সময় ঝড়ে আহত হয়েছেন ৫ জন। পরে আহতদের বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি ও বাতাসে ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব ঘটে। ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে দেড় শতাধিক কাঁচাঘরবাড়ি পড়ে যায়। গাছ-পালায় টিনের ঘর ফুটোসহ পল্লীবিদ্যুতের লাইন ছিড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। অর্থিক সংঙ্কটে ঘরবাড়ি মেরামত করতে না পেরে অনেকে রয়েছে খোলা আকাশের নিচে।

পিয়ারাপুর এলাকার মৃত মনতাজ ভুঁইয়ার পুত্র মোহাম্মদ ওছমান জানিয়েছে, হঠাৎ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে একটি ঝড় আসে। ঝড়ে তাদের থাকার ঘর ধুমড়ে মুছড়ে যায়। ঘরের টিনের চালা উড়ে পার্শ্ববর্তী পুকুরে ও গাছের মাথায় আটকে থাকে।

তিনি জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের কারনে দু’মাস ধরে দোকানপাট বন্ধ রাখায় নগদ টাকা ভেঙ্গে খাওয়া ও এখন ঝড় যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। ভাঙ্গা ঘরটি মেরামতের বা নতুন করে তৈরির টাকা সংগ্রহে সরকারি সাহায্যের কামনা করেছেন তিনি।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে সদর উপজেলার সদর উপজেলার পিয়ারাপুর, আবিরনগর ও কুমিদপুর এলাকায় বৃষ্টি ও বাতাসে। এতে চার শতাধিক গাছপালা ও অর্ধশত বাড়ির ছাউনি উড়ে গিয়ে লণ্ডভণ্ড রয়েছে ঘরবাড়ি। ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে দেড় শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়িও পড়ে গেছে।

এ ছাড়া গাছ-পালায় টিনের ঘর ফুটোসহ পল্লী বিদ্যুতের লাইন ছিড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। দ্রুত ওই সব এলাকায় সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তাসহ জরুরিভাবে বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপনসহ ভেঙ্গে যাওয়া বিচ্ছিন্ন সংযোগের খুঁটি মেরামত করে দ্রুত বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপনের দাবি জানিয়েন তারা।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুর রিদোয়ান আরমান শাকিল জানিয়েছে, ঝড়ে সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ সময় গাছপালাসহ শতাধিক কাঁচাঘর বাড়ি পড়ে যায়।

তবে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনে চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরুপন শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভুলুয়া বাংলাদেশ/এএইচ