লক্ষ্মীপুর-২ সাংসদ’কে নিয়ে গরম কুয়েতি পার্লামেন্ট

প্রকাশিত: ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ, জুন ২০, ২০২০

মানবপাচার চক্রের এশিয়ান নেটওয়ার্কের মূল হোতা বা অভিযুক্ত হিসেবে আটক বাংলাদেশি সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে কুয়েতি পার্লামেন্টে। করোনাকালীন সংক্ষিপ্ত এবং জরুরি ইস্যুগুলোর আলোচনার জন্য আহ্বান করা ওই অধিবেশনে পাপুলকাণ্ড উত্তাপ ছড়িয়েছে।

সরকারি ও বিরোধী দলের অন্তত ৬ জন সংসদ সদস্য এ বিষয় নিয়ে পার্লামেন্ট সেশনে বক্তৃতা করেছেন। সবচেয়ে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়েছেন প্রভাবশালী সংসদ সদস্য আবদুল কারিম আল কান্দারি।তবে এমপি ইউসুফ আল ফাদালা ও আবদেল ওয়াহাব আল বাবতেনও কড়া কথা বলেছেন।এমপি কান্দারি বারবার পাপুলকে মাফিয়া বস ও বাঙালি,বলে তিরস্কার করছিলেন।

স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে বলছিলেন, একজন বাঙালি মাফিয়া এতোটা আস্কারা কোত্থেকে পেলো? এটা কীভাবে সম্ভব যে ১০০ লোক নিয়োগের অনুমতি সংক্রান্ত ডকুমেন্ট জাল করে হাজার হাজার শ্রমিককে কুয়েতে নিয়ে আসতে পারলো?রিমান্ডে পাপুল সব বলেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন,ওই বাঙালি অনেকের নাম বলেছে তা দ্রুত প্রকাশ করতে হবে।কুয়েতি নাগরিক যার নামই আসুক না কেন তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে, বিচার করতে হবে।

আর পাপুল ইস্যুতে কুয়েতি এমপি বাবতেন রীতিমতো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়কে গ্রিল করেছেন।কড়া ভাষায় বক্তৃতা দেয়া ছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি চেয়ে পার্লামেন্টে নোটিশ দেন তিনি।কুয়েতি এমপিরা পার্লামেন্টে প্রায় অভিন্ন সুরে বলেন, বাঙালি মানবপাচারকারীকে যারা সহযোগিতা করেছে তাদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। কারণ তারা ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য দেশ, জাতি ও ধর্ম সব কিছুকে ম্লান করে দিয়েছে। এজন্য তাদের শাস্তি পেতেই হবে।

এদিকে এমপি পাপুল কুয়েতের দুজন বর্তমান এবং সাবেক এক এমপিকে ঘুষ দেয়ার কথা স্বীকার করেছে মর্মে আগেই খবর বেরিয়েছিল। এ ইস্যুতেও ইঙ্গিতপূর্ণ আলোচনা হয়েছে সংসদ অধিবেশনে। বর্তমানে দুই এমপির নাম মূল ধারার গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশ করা না হলেও তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানাভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

আরব টাইমস ওই দুই নাম পেয়েছে তবে তারা এখনই প্রকাশ করছে না। কারণ হিসাবে তারা বলছে, বাংলাদেশি এমপির দাবির সত্যতা নিশ্চিতে দুর্নীতিদমন কমিশনসহ কুয়েতে একাধিক তদন্ত চলমান রয়েছে। সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, অভিযুক্ত ওই দুই এমপি সদ্য শেষ হওয়া পার্লামেন্ট অধিবেশনে যোগ দেন এবং এ ইস্যুতে আচমকা কথাও বলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের প্রতিপক্ষরা না-কী পরিকল্পিতভাবে প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে, এমন দাবি করে তারা পাপুলের কাছ থেকে অন্যায় সুবিধা নেয়ার দায় অস্বীকার করেন। অবশ্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থাকা কুয়েতের উপ-প্রধানমন্ত্রী আনাস আল সালেহ সংসদে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে ক্ষোভের সঙ্গে বলেছেন, ভিসা বাণিজ্যে রাষ্ট্র হিসাবে কুয়েতের নিরাপত্তা বা অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে।

তিনি বলেন,এমপি পাপুলের মুখ থেকে যাদের নাম এসেছে তাদের বিষয়ে বিস্তৃত তদন্ত হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তারা রেহাই পাবে না। এমপি, মন্ত্রী, বিশিষ্টজন যেই হোন তাদের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

দু’জন সরকারি কর্মকর্তা আটক, ৩ জনকে তলব

এদিকে আরব টাইমসের পৃথক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৯ ঘণ্টার টানা জিজ্ঞাসাবাদের শেষ দিনে পাপুল যে দু্ইজন সরকারি কর্মকর্তাকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মোটা অঙ্কের ঘুষ দেয়ার কথা স্বীকার করছিলেন তাদের আটকের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সিআইডি তাদের আইনের আওতায় আনছে। এদের একজন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বড় পদে রয়েছেন।

স্মরণ করা যায়, গত সোমবার আরব টাইমস তাদের এ সংক্রান্ত প্রথম রিপোর্টে জানিয়েছিল- পাপুলকে বাঁচাতে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা মধ্যস্থতার ভূমিকায় ছিলেন। মূলত পাপুলের অর্থ সরিয়ে নেয়ার কাজটি সহজ করে দিতে তিনি তার হাইলি পেইড এজেন্ট হিসেবে কনসালটেন্সি করছিলেন। তাকে যে অর্থ দেয়া হয়েছে তার দালিলিক প্রমাণ এখন সিআইডির হাতে।

ওদিকে পৃথক রিপোর্টে কাল আরব টাইমস জানিয়েছে, পাপুলের স্বীকারোক্তিতে লাক্সারি কারসহ মূল্যবান উপহার গ্রহণকারী হিসেবে যে ৩ জন কর্মকর্তার নাম এসেছে তাদের তলবের সিদ্ধান্ত হয়েছে। যার মধ্যে জনশক্তি বিভাগের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তাও রয়েছেন। পাপুলের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রতিশ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থতার দায়ে জনশক্তি বিভাগের উচ্চ পদস্থ ওই কর্মকর্তাকে গত মঙ্গলবার সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

কুয়েতের সমাজকল্যাণ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ক মন্ত্রণালয় দেখভালে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মরিয়ম আল আকিল এক নোটে ৩ মাসের জন্য তাকে সাসপেন্ড করেন এবং ৫০ শতাংশ বেতন কর্তনের আদেশ দেন।

উল্লেখ্য পাপুলকাণ্ডের ৭ জন সিনিয়র কর্মকর্তা (টপ বস) এবং ৩ টি সংস্থায় কর্মরত অন্তত ২১ জন ফেঁসে যাচ্ছেন বলে রিপোর্ট বেরিয়েছে। গত ৬ই জুন রাতে কুয়েতের মুশরেফ এলাকার বাসা থেকে সিআইডি পুলিশ তাকে আটক করে। পরদিন তাকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থাপন করে রিমান্ড

চাওয়া হয়। আদালত ১৪ই জুন পর্যন্ত তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে বাংলাদেশি এমপি কিছু কিছু অভিযোগ স্বীকার করলেও তিনি তার ব্যবসায়িক পরিচয়কে সামনে রাখেন। বলেন, আমি ব্যবসা করেছি, এতে ভুলভ্রান্তি হতে পারে। তবে আমি জানাতে চাই ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছি। আমার অধীনে ৯ হাজার শ্রমিক কাজ করে কুয়েতে। তাছাড়া তিনি বাংলাদেশের সংসদের একজন সদস্য উল্লেখ করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

রিমান্ড চলাকালে এমপি পাপুলের আইনজীবীরা দফায় দফায় তার জামিন চেয়েছেন, কিন্তু আদালত তা বরাবরই নাকচ করেছেন। আরব টাইমসের রিপোর্ট মতে, কুয়েতের ইতিহাসে মানবপাচার বিষয়ক সবচেয়ে যুগান্তকারী ও চাঞ্চল্যকর ওই মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে থাকতে হচ্ছে। তবে তার যেসব সহযোগী আটক হয়েছেন (দেশি-বিদেশি) জুলাইর মাঝামাঝিতে তাদের বিষয়ে শুনানি হতে পারে।

জানা গেছে এমপি পাপুল ইস্যুতে কুয়েত সিটিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের শীর্ষ পর্যায়ের দু’জন কর্মকর্তাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তাদের ব্যক্তিগত ব্যাংক একাউন্ট তালাশ করা হচ্ছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হতে পারে।

তবে তারা ডিপ্লোমেটিক ইমিউনিটিপ্রাপ্ত হওয়ায় প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল। ফলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ না-কী ঢাকা ফেরত পাঠানো হবে তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।

পাপুলকাণ্ডে দূতাবাসের দু’জন কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনা সমালোচনা চলছে। এগুলোকে ‘বিভ্রান্তি’ আখ্যা দিয়ে কমিউনিটির প্রতি একটি রহস্যজনক ভিডিও বার্তা দিয়েছেন রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম।

তিনি ঢাকায় টেলিফোন করেও দূতাবাসের সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপনের আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন বলে জানা গেছে।

মীর কাসেম আলীর কয়েক’শ কোটি টাকার সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

এদিকে কুয়েতে মানবপাচার এবং প্রবাসীদের উপার্জনের টাকা কৌশলে হাতিয়ে নেওয়াসহ বিভিন্ন জালিয়াতি ও ভিসা ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি টাকা বাগিয়ে নিয়েছে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল ও তাঁর পরিবার।

শুধু তাই নয়, অভিযোগ রয়েছে যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেম আলীর সঙ্গে পাপুলের ছিল গোপন ব্যবসায়িক কারবার।

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডের পর মীর কাসেমের ব্যাবসায়িক কয়েক শ কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাৎ করেন পাপুল। প্রাথমিক তদন্তে পাপুল, তাঁর স্ত্রী সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম, মেয়ে ও শ্যালিকার নামে সম্পদের একাধিক তথ্য-উপাত্ত পেয়েছে দুদকের অনুসন্ধান দল। কালের কণ্ঠ

এরই মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকে লেনদেনের তথ্য-উপাত্ত চেয়ে চিঠি পাঠানোর পাশাপাশি পাপুলের স্ত্রী, মেয়ে ও শ্যালিকার দেশত্যাগেনিষেধাজ্ঞা চেয়ে ইমিগ্রেশনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগে চিঠি দিয়েছে দুদকের অনুসন্ধান দল।

এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার সকালে পাপুল ও তাঁর স্ত্রী সেলিনার নির্বাচনী হলফনামা পেতে নির্বাচন কমিশনে তাগিদপত্র দিয়েছে দুদক। ওই দিনই অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তের স্বার্থে এনবিআরের কাছে পাপুল দম্পতি ও শ্যালিকার আয়করের নথিপত্র চেয়েছে সংস্থাটির অনুসন্ধান কর্মকর্তা উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আয়কর নথিপত্রের জন্য বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এনবিআরের কর অঞ্চল-৫ ও কর অঞ্চল-১৩-এর ডেপুটি কমিশনার বরাবর চিঠি দেওয়া হয়। এনবিআরে দেওয়া চিঠিতে পাপুল, স্ত্রী সেলিনা ইসলাম ও সেলিনার বোন জেসমিনের গত তিন অর্থবছরের আয়কর রিটার্নসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চাওয়া হয়েছে।

এদিকে নির্বাচন কমিশন ও দুদক সূত্রে জানা যায়, নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবের কাছে পাপুল দম্পতির নির্বাচনী হলফনামা চেয়ে তাগিদপত্র দিয়েছে গত মঙ্গলবার পাঠানো চিঠিতে। এর আগে গত ১৬ মার্চ নির্বাচনে পাপুল ও তাঁর স্ত্রী সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলামের নির্বাচন পরিচালনার জন্য টাকা পাওয়ার সম্ভাব্য উৎসর বিবরণী, সম্পদ ও দায় এবং বার্ষিক আয়-ব্যয়ের বিবরণী, দাখিল করা শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ অন্যান্য রেকর্ডপত্র চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

দুদকের এক কর্মকর্তা বলেন, দুদকের প্রাথমিক তদন্তে এমপি পাপুলসহ তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও শ্যালিকার নামে কোটি কোটি টাকার সম্পদের তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে। ওই সব তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাঁরা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারেন সে বিষয়ে ইমিগ্রেশনে চিঠি দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কয়েক শ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। বিদেশে টাকা পাচারের তথ্য-প্রমাণও মিলেছে।

এদিকে জামশেদ কবীর বাকি বিল্লাহ, নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন, সালাহউদ্দিন টিপু ও আরিফ নামে পাপুল দম্পতির চার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির সম্পদের হিসাব পেতে সাবরেজিস্ট্রার অফিসে চিঠি দিয়েছে দুদক।

কুয়েতের বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, মানব, অর্থপাচারসহ বিভিন্ন জালিয়াতিতে জড়িত এমন কয়েক শ ব্যক্তির তালিকা করেছে কুয়েত সরকার। সেই তালিকা ধরেই সম্প্রতি বিতর্কিত শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে দেশটির গোয়েন্দা বিভাগ। সেই অভিযানেই গ্রেপ্তার হন বাংলাদেশের এমপি পাপুল।

মানবপাচারকারীদের নাম পেয়েছেন তদন্তকারীরা সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের ‘মানবপাচারচক্রের’ সঙ্গে জড়িতদের নাম পেয়েছেন কুয়েতের তদন্তকারীরা। কুয়েতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আনাস আল-সালেহ গত বুধবার এ তথ্য জানান।

এ সময় তিনি মানবপাচারচক্রের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেন। এদিকে পাপুলের দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে গত বুধবার কুয়েতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এমপি পাপুল কিভাবে কুয়েতে ঢুকেছেন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে ওই দেশটির সংসদে।

কুয়েতের দৈনিক আল রাই পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাপুলের বিরুদ্ধে জবানবন্দি দেওয়া ব্যক্তিরা তাঁকে ‘মাফিয়া বস’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। গরিব ও নিম্ন আয়ের শ্রমিকরা পাপুলকে ‘কর’ (চাঁদা) দিতে বাধ্য হতেন।

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ