শিশুকে বিয়ে করতে গিয়ে বুড়ো ধরা

প্রকাশিত: ৮:৫৩ অপরাহ্ণ, জুন ৫, ২০২০

শেরপুর সংবাদদাতা: চতুর্থ বিয়ে করতে গিয়ে ধরা পড়তে হলো এক ’বিয়ে পাগল বুড়ো’কে ১৩ বছর বয়সী শিশুকে এবার বিয়ে করতে গিয়েছিলেন তিনি। এই শিশুর কাছে তিনি যেন এক বুড়োই। এর আগে তিনটি বিয়ে করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দিনগত রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দেলোয়ার হোসেনকে (৪০) আটক করে ১ বছর ১০ মাসের কারাদণ্ড দেন আদালতের বিচারক শেরপুরের নালিতাবাড়ীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুর রহমান।

এ সময় দেলোয়ারকে সহযোগিতা করার জন্য তার বড় ভাই আন্তাজ আলীকে ১০ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই ভাই উপজেলার গোবিন্দ নগর গ্রামের মৃত আবদুল হাইয়ের ছেলে।

জানা গেছে, দেলোয়ার পৌর শহরে কাঁচামালের ব্যবসা করেন। এর আগে তিনি আরও ৩টি বিয়ে করেন। ৬ মাস আগে তৃতীয় স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন এ ব্যক্তি।

কিছুদিন আগে গোজাকুড়া গ্রামে তের বছর বয়সী এক শিশুকে বিয়ে করার জন্য দেলোয়ার তার মা ও নানীকে রাজি করেন। ওই মেয়েটির বাবা নেই। বৃহস্পতিবার রাতে বিয়ে পাগল দেলোয়ার তার ভাইকে নিয়ে ওই বাড়িতে যান। কাজী ডেকে সাদা কাগজে কাবিন নামা তৈরি করা হয়।

এ ঘটনাটি দেলোয়ারের তৃতীয় স্ত্রী উপজেলা প্রশাসনকে জানান। খবর পেয়ে বিয়ে বাড়িতে হানা দেন পুলিশ এবং প্রশাসনের লোকজন। এ সময় মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যায় কনে পক্ষের লোকজন। কিন্তু পুলিশ ধরে ফেলে দেলোয়ার ও তার ভাইকে। পরে প্রকাশ্যে আদালত বসিয়ে সাজার রায় দেওয়া হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ইউএনও মো. আরিফুর রহমান। তিনি বলেন, রাতেই পুলিশ সাজাপ্রাপ্ত দুইজনকে শেরপুর জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে।

 

ভুলুয়া বাংলাদেশ/এএইচ