সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে

প্রকাশিত: ৩:৫৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৮, ২০২১

দেশে তিনদিন পর গতকাল নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে সাত হাজারে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। গতকাল সর্বশেষ আরো ১৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ সময় আরো ৭ হাজার ৫৩৫ জনের শরীরে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। দেশে নভেল করোনার পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৭১৯টি পরীক্ষাগারে ৩৯ হাজার ২৭৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৪ লাখ ৮০ হাজার ৮১৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে মোট ১৪ লাখ ৩৩ হাজার ৩৯৬ জনের শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। আর মারা গেছেন ২৪ হাজার ৫৪৭ জন করোনা রোগী।

গতকাল আরো ১২ হাজার ৯৫০ জন করোনা রোগী সুস্থ হওয়ায় মোট সুস্থতার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ১৪ হাজার ৯১৬ জনে। সর্বশেষ নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ১৮ শতাংশ। মোট শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৯০ শতাংশ।

প্রতি ১০০ জন করোনা রোগী শনাক্তের বিপরীতে সুস্থ হয়েছেন ৯১ দশমিক ৭৩ জন। আর মারা গেছেন ১ দশমিক ৭১ জন। বর্তমানে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা প্রায় এক লাখ।

গত ১৩ আগস্ট ৮ হাজার ৪৬৫ জন কভিড রোগী শনাক্তের পরের তিনদিন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা সাত হাজারের নিচেই ছিল। আর ১২ আগস্ট ২১৫ জনের মৃত্যুর পর গত চারদিনে এত বেশি মৃত্যু হয়নি। একই সঙ্গে করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণের কারণে জুলাইয়ের বড় একটি সময়ে তা ছিল ৩০ শতাংশে।

গতকাল আক্রান্তদের মধ্যে ৪ হাজার ৩৩৫ জন ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। সর্বশেষ মারা যাওয়া করোনা রোগীর মধ্যে সর্বোচ্চ ৭২ জন ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। বাকিদের মধ্যে ৫২ জন চট্টগ্রাম, ৯ জন রাজশাহী, ২৬ জন খুলনা, ৭ জন বরিশাল, ১৮ জন সিলেট, ৬ জন রংপুর ও ৮ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে গত বছরের ৮ মার্চ। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিস্তারে গত জুন থেকে রোগীর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। এতে ১৩ আগস্ট শনাক্তের সংখ্যা ১৪ লাখ অতিক্রম করে।

এর মধ্যে ২৮ জুলাই দেশে একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। মৃত্যু ১৫ আগস্ট ২৪ হাজার ছাড়িয়ে যায়। ৫ আগস্ট ও ১০ আগস্ট দুইদিনই সর্বোচ্চ ২৬৪ জন করে মারা যান।

 

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ

সংবাদটি শেয়ার করুন।