ফাইল: ছবি

সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

প্রকাশিত: ৪:১৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২০

সীমান্তের ওপার থেকে পাহাড়ি ঢল না আসার কারণে সুনামগঞ্জের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না শহরবাসীর।

দিনে বাসা বাড়ির আঙ্গিনায় জমে থাকা পানি কমলেও রাতে বৃষ্টি হওয়া মাত্রই পানি বৃদ্ধি পায়। কয়েকদিন ধরে জমে থাকা পানিতে ময়লা আবর্জনা পচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়ে বিভিন্ন পানি বাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৬ মিলিলিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। উজানে বৃষ্টি থামলে তবে আজ ভোর থেকে এখন পর্যন্ত বৃষ্টি হওয়ায় নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার বেড়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত বিপদসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে মধ্যরাত থেকে বৃষ্টিপাত হওয়ায় শহরের অনেক ঘরবাড়ি ও আঙ্গিনায় এখন ও পানি রয়েছে।

শহরের বিলপার হাছননগর, নতুনপাড়া, হাজীপাড়া, পশ্চিম হাজীপাড়াসহ অনেক সড়কে এখনও হাঁটু সমান পানি রয়েছে। বন্যার পানি বিভিন্ন রাস্তাঘাট থেকে সরে যাওয়ায় শহরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

সুনামগঞ্জ বিশ্বম্ভরপুর সড়কে পানি নেমে যাওয়ায় সুনামগঞ্জের সাথে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা ও ছাতক উপজেলার সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হলেও তাহিরপুর উপজেলার সাথে এখনো সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়নি।

এদিকে জেলা প্রশাসন, সদর উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার উদ্যোগে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবারসহ অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত আছে।

জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ জানিয়েছেন, আরও ১০০ মেট্রিক টন জিআর চাউল ও নগদ ১০ লক্ষাধিক টাকা পাওয়া গেছে বন্যার্তদের নগদ বিতরণের জন্য।

তিনি আরও জানান, গতকাল বিশ্বম্ভরপুর সড়ক পরিদর্শন করে বন্যার পানির তোড়ে ভেঙে যাওয়া সড়ক দ্রুত মেরামতের জন্য এলজিইইডি ও সড়ক বিভাগকে অবহিত করেছি।

পৌর মেয়র নাদের বখত জানান, পৌর শহরের ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত মেরামত করে যান চলাচলের উপযোগী করে তোলা হবে। প্রতিদিনই আশ্রয়কেন্দ্রে আসা লোকদের শুকনো খাবার বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ