সুবিধা বঞ্চিত ছাত্রলীগ নেতা শাখাওয়াত

প্রকাশিত: ৪:১৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৪, ২০২০

মো. মুক্তার হোসেন (রাজশাহী প্রতিনিধি): বাংলাদেশ ছাত্রলীগে এর রাজনৈতিক অঙ্গনে পথচলার শুরু হতে আজ অব্দি একমাত্র কারা নির্যাতিত ছাত্রনেতা এ,বি,এম শাখাওয়াত হোসেন বাশার কখনই কোনো টেন্ডারবাজি বা পুকুর চুরি, রাস্তা ঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট, বিল্ডিং, রিপেয়ারিং ইত‍্যাদিতে জড়িত নন।

২০১০ সালে ইংরেজি সাহিত্যে এম,এ প্রিভিয়াস মাস্টার্স কৃতিত্ত্বের সাথে Northern University Bangladesh থেকে সমাপ্ত করে ও কোনো কলেজে একটি প্রভাষক পদেও চাকরি মেলেনি। মেধাবী এ ছাত্র ফকরুদ্দীন সরকারের দমনে আর্মি, র‍্যাব বি,জি,বি, পুলিশের ত‍ৎকালীন নির্মমতায় ছিলেন পর্যাপ্ত নিপিড়নের শিকার।

অনেক পরিশ্রম আওয়ামী পরিবারের শ্রমের ফসল আল্লাহ্ শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করলেন কিন্তু ভাগ্য পরিবর্তন হলো না বাশারের। চাকরি তো পাননি।

অন‍্যদিকে একজন কঠোর পরিশ্রমী তীক্ষ্ম সাংগঠনিক নির্যাতিত রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রনেতা হিসাবে আজ অব্দি পুঠিয়া উপজেলা ও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের একটি নূন‍্যতম সন্মানের পদ তার কপালে জোটেনি।

অথচ রাজপথের ব‍্যাঘ্র শ্লোগানে দু:সময়ে যার খোলা উচ্চ গলার আওয়াজ মুখরিত করে মিছিলের প্রথম সারি যার অগ্নিঝরা বক্তব্যে আন্দোলনের মাঠ হয়ে উঠে প্রকম্পিত।

জামায়াত -বিএনপি যার বক্তব্যের ঢেঊয়ে গতিহারিয়ে ফেলে। সেই বাশার’কে ঘৃন‍্য লবিং রাজনৈতিক ধাক্কার তলে রেখে হাইব্রিড, নবাগত আর বসন্তের কোকিলেরা হয়েছেন বিশেষভাবে মূল‍্যায়িত।

আওয়ামী পরিবারে নির্যাতিত ছেলে যাকে জামায়াত- বিএনপি ও ফকরুদ্দীনের সময় শুধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হওয়ায় বারবার ক্রস ফায়ারে দেওয়ার চক্রান্ত হয়েছিল। আল্লাহ্ দয়াকরে বাঁচিয়ে রেখছেন।

আজও পুঠিয়ায় জামায়াত-বিএনপি যদি আওয়ামী লীগ পরিবারকে পুঠিয়ার মাটি থেকে নেতা শূন্য করতে কোনো নীল নকশার নামে কালো তালিকা করে এবং আওয়ামী পরিবারের রত্নগুলোকে চিরতরে নিঃশেষ করতে চায় তবে তাদের মধ‍্যে বাশার প্রথম পর্যায়ে থাকবে বলে বিশেষভাবে অনূভব করা যায়।

কিন্তু আজ সুসময়ে আওয়ামী পরিবারের রাজনৈতিক কোনো পদের তালিকায় বাশারের মত নেতার নাম রাখা হয় না উপজেলা বা জেলা আওয়ামীলীগ এর কমিটিতে।

গত পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে ফর্ম উঠানের পরেও উপজেলা থেকে সবার নামের তালিকা কেন্দ্রীয় নেত্রী শেখ হাসিনার কাছে প্রেরণ করা হলেও অবিশ্বাস্য তবু বাশারের নামটি পাঠানো হয়েছিল না। তারপরেও নৌকার পক্ষে কঠোর পরিশ্রম করেন।

পরবর্তীকালে সংসদ নির্বাচনে তথা উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বেশ কঠোর পরিশ্রমী ছিলেন। অনেকের নৌকার বিপক্ষে অবস্থান ছিল যা দলীয় সূত্রে রেকর্ড আছে। তাই আজ সময় এসেছে একজন বাশারকে তার যথাযথ মূল্যায়ন করার জন্য।

 

ভুলুয়াবিডি/এএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন।