হজ নিয়ে দোটানায় সৌদি সরকার

প্রকাশিত: ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৪, ২০২০

আবদুল কাদের (সৌদিআরব): সৌদিআরব রাষ্ট্রীয়ভাবে এবারের পবিত্র হজ পালনের ব্যপারে এখন পর্যন্ত কোনো ঘোষণা দেয়নি।বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে এ বছর হজ হবে কি হবে না এমন কোনো কিছুই রাষ্ট্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত হয়নি এ পর্যন্ত।

এদিকে আন্তর্জাতিক বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম এরই মধ্যে চলতি বছর হজ পালন নিয়ে বিভিন্নভাবে সংবাদ প্রকাশ করেছে। কেউ জানিয়েছেন ২০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে হজ পালন হবে কেউ বলেছেন এবার হজ হবে না। প্রকৃতপক্ষে সৌদিতে সরকার এখনো হজ পালনে ঘোষণা দেননি।

সূএ জানায়, বেশ কয়েকটি দেশ সিদ্ধান্ত নেয় যে তারা এ বছর পবিএ হজ করবেন না। ইতোমধ্যে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ব্রুনাই, দক্ষিণ আফ্রিকা, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড এবং ফ্রান্সের মুসলমানরা এ বছর হজ না করার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। তবে, চলতি সপ্তাহে সৌদি সরকার হজের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে।

সারা পৃথিবী থেকে লক্ষ লক্ষ মুসলমান প্রতি বছর পবিএ হজ পালন করতে সৌদিতে যান। ঠিক ওই সময়টাতেই সৌদির আর্থিক লেনদেনের হার অনেকটাই বেড়ে যায়।

মক্কার চেম্বার অব কমার্সের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাইরের দেশ থেকে আসা মুসলমানরা মাথাপিছু ব্যয় করেন ৪৬০০ ডলার, আর স্থানীয়রা মাথাপিছু প্রায় ১৫০০ ডলার।

তবে একেক দেশ থেকে আসা হজযাত্রীদের জন্য একেক রকম খরচ। যেমন ইরান থেকে আসা মানুষদের মাথাপিছু তিন হাজার ডলার খরচ লাগে। এরই মধ্যে যাত্রা, খাওয়া, কেনাকাটা সব খরচই ধরা হয়। পাকিস্তান, বাংলাদেশের যাত্রীদেরও মোটামুটি একই রকম খরচ হয়।

বিভিন্ন দেশের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার কোটাই সবচেয়ে বেশি। সেখান থেকে দুই লক্ষ কুড়ি হাজার মানুষ প্রতি বছর হজে যান। এটা মোট হজযাত্রী সংখ্যার প্রায় ১৪ শতাংশ।

এর পরে রয়েছে পাকিস্তান (১১%), ভারত (১১%) আর বাংলাদেশ (৮%)। নাইজেরিয়া, ইরান, তুর্কি, মিশর এই দেশগুলোরও কোটা মোটামুটি একই রকম।

 

ভুলুয়া বাংলাদেশ/এমএএইচ